পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পরও পুনরায় বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাজমুল হক ও তাঁর সহযোগী রেজু মৃধার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ধানখালী ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে কলাপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর ১৪।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে গত ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে নাজমুল হকের ব্যবহৃত একটি মিনি ড্রেজারের মালামাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা মালামাল ধানখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: আল মামুন ও স্থানীয় গ্রাম পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।
পরবর্তীতে জব্দ করা মালামাল ফেরত নেওয়ার সময় নাজমুল হক একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। অঙ্গীকারনামায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাঁর মালিকানাধীন মিনি ড্রেজার দিয়ে আর বালু উত্তোলন করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন তিনি। জব্দ করা মালামাল বুঝে পাওয়ার বিষয়টিও অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করা হয়।
তবে অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পরও নাজমুল হক ও রেজু মৃধার বিরুদ্ধে পুনরায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ধানখালী ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
অভিযুক্ত নাজমুল হক ও রেজু মৃধার বক্তব্য জানতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ধানখালী ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
অঙ্গীকারনামা দিয়েও বন্ধ হয়নি অবৈধ বালু উত্তোলন, দুজনের বিরুদ্ধে মামলা
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পরও পুনরায় বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাজমুল হক ও তাঁর সহযোগী রেজু মৃধার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ধানখালী ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে কলাপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর...

- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
আরও পড়ুন








মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।