মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ · ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সারাদেশ

শিশুছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, মাদরাসাশিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক হালুয়া ও তন্ত্রমন্ত্রের বই

ময়মনসিংহের ভালুকায় সাত বছর বয়সী এক শিশুছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোহাম্মদ আলী নামে এক মাদরাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের কক্ষে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক হালুয়া, তন্ত্রমন্ত্রের বই, তাবিজসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। বুধবার ৪ নভেম্বর দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবার দায়ের করা মামলার পর...

শিশুছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, মাদরাসাশিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক হালুয়া ও তন্ত্রমন্ত্রের বই

ময়মনসিংহের ভালুকায় সাত বছর বয়সী এক শিশুছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোহাম্মদ আলী নামে এক মাদরাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের কক্ষে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক হালুয়া, তন্ত্রমন্ত্রের বই, তাবিজসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার ৪ নভেম্বর দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবার দায়ের করা মামলার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে উপজেলার হবিরবাড়ীর কাশর চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত মাদ্রাসাতুত তাকওয়া থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী বাগেরহাটের কচুয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই মাদরাসার বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ২ নভেম্বর সকালে ক্লাসের পড়া দিতে গেলে শিক্ষক মোহাম্মদ আলী তার সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তিনি শিশুটিকে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর চেষ্টা করেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে শিশুটি পরিবারের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

স্থানীয়দের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।

এদিকে, ঘটনার পর মাদরাসাটিতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক হালুয়া, তন্ত্রমন্ত্র ও জাদুবিদ্যার বই, শতাধিক গ্রাহকের মন্ত্র লেখা ছবি, তাবিজসহ বিপুল পরিমাণ কবিরাজি সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নামমাত্র শিক্ষাদানের আড়ালে বিভিন্ন ব্যক্তিকে এনে কবিরাজি চিকিৎসা ও অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০