মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: এম এ মুহিত

হাসপাতাল নির্মাণ ও চিকিৎসাসেবার সম্প্রসারণের চেয়ে রোগ প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, মানুষের রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকালমৃত্যু

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: এম এ মুহিত
ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতাল নির্মাণ ও চিকিৎসাসেবার সম্প্রসারণের চেয়ে রোগ প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, মানুষের রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকালমৃত্যু প্রতিরোধে তৃণমূল পর্যায় থেকেই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তির হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ের ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলেন, “আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই।” সরকারের মূল লক্ষ্য শুধু হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানো নয়; বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকালমৃত্যু প্রতিরোধ করা।

প্রচলিত স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূলের স্বাস্থ্যকর্মীদের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট অব থিংসের (আইওটি) সাথে যুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। তাঁদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামও দেওয়া হবে।

দেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে ড. এম এ মুহিত বলেন, বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য রোগীদের যেন ঢাকায় ছুটতে না হয়, সে লক্ষ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে এসব সেবা বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে এ ধরনের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রথম বাজেটে হার্টের রিং বা স্টেন্ট, ডায়ালিসিস ফিল্টার, সক্রিয় ওষুধের উপাদান (এপিআই) এবং কৃত্রিম চোখের লেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা উপকরণের ওপর ভ্যাট ও কর কমানো বা মওকুফ করা হয়েছে। একই সাথে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সেলর পল জি ফ্রস্ট এবং মেডট্রনিক পিএলসি ও ইন্টেল করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. ওমর ইশরাক।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০