মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সারাদেশ

‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বলে ওসির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ওসির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওসিকে উদ্দেশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনার ইতিহাস তো আমি...

‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বলে ওসির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ওসির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওসিকে উদ্দেশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনার ইতিহাস তো আমি জানি স্যার।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদ্য সমাপ্ত শারদীয় দুর্গাপূজায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে বলা হলেও ওসি তা করেননি। এ ছাড়া ওসির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে তিনি থানায় যান। রাত ৯টা পর্যন্ত ওসির কক্ষে অবস্থান করেন তিনি।

এ সময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে যাওয়া এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওসি তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি দাবি করেন, ওই ব্যক্তি রুমিন ফারহানার শেখানো কথা বলতে থানায় এসেছেন। এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে ওসির আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রসঙ্গ তোলেন সংসদ সদস্য।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, সংসদ সদস্য শত শত লোক নিয়ে থানায় এসে অস্থিরতা তৈরি করেন। কয়েকজনকে শিখিয়ে নিয়ে এসে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে।

ওসি বলেন, ‘তিনি বলেছেন, আমি ইটভাটা থেকে টাকা নিই। হাওরের সব ইটভাটা পানির নিচে। আর আমরা পূজায় পুরো থানা এলাকায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিলাম। তবে ওই সময় ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে পুলিশের একটি দল রাখা কঠিন ছিল।’

অন্যদিকে, সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ওসি তাকে জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং জনগণই তার নিরাপত্তা দেবে। এ কারণে মানুষই এখন তার নিরাপত্তা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার তো নিরাপত্তা লাগবে। আর ওনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মাটি কাটা ও ইটভাটা থেকে টাকা নেওয়াসহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। এলাকাটি দাঙ্গাপ্রবণ। দাঙ্গার পর পরিস্থিতি শান্ত হলে তারা সেখানে যান। এসব বিষয় জানতেই আমি আজ থানায় এসেছিলাম।’

ওসির আচরণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা যায় না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মু. জালাল উদ্দিন ফাহিমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০