মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

বিদেশি কর্মী আনতে হচ্ছে কেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে রাষ্ট্রপতির প্রশ্ন

দেশে প্রতিবছর অসংখ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরি হলেও দেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনায় কেন বিদেশি কর্মী আনতে হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে

বিদেশি কর্মী আনতে হচ্ছে কেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে রাষ্ট্রপতির প্রশ্ন
ছবি: সংগৃহীত

দেশে প্রতিবছর অসংখ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরি হলেও দেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনায় কেন বিদেশি কর্মী আনতে হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করে। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশে অসংখ্য গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছেন। এরপরও দেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান এমনকি বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনার জন্য কেন বিদেশি কর্মী আনতে হবে—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাই সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

সাক্ষাৎকালে ড. মো. সবুর খান বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পেটেন্ট উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগ গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট অধিকার অর্জন ও বাণিজ্যিকীকরণে সহযোগিতা করে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার পাশাপাশি প্রডাকশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড, ফিশারিজ এবং ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন কর্মমুখী বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব কার্যক্রমের কথা শুনে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ধরে রাখার আহ্বান জানান।

এ সময় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০