চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের যান্ত্রিক বিভাগে বড় ধরনের ডিজেল চুর ও পাচারের চেষ্টার অভিযোগে দুই কর্মচারীকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সাথে ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ, দায়-দায়িত্ব ও আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীরা হলেন—বন্দর ভান্ডার রক্ষক মাহমুদুর রহমান মান্না এবং সিনিয়র স্টোরম্যান সঞ্জয় কুমার দে।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর যমুনা অয়েল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের জোনাল ওয়ার্কশপ-ডি এর জন্য মোট ১৮ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়। কিন্তু ওয়ার্কশপের ফুয়েল ট্যাংকে ১৩,৭৪৪ লিটার ডিজেল রেখে অবশিষ্ট ৪,২৫৬ লিটার ডিজেল পাচারের উদ্দেশ্যে জিম্মায় থাকা অবস্থায় জেটির সংরক্ষিত এলাকা থেকে বাইরে সরানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় বন্দরের অভ্যন্তরে ১ নম্বর গেটসংলগ্ন কেমিক্যাল শেডের বিপরীত পাশে নিয়োজিত নৌবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান চালিয়ে ওই ডিজেলভর্তি তেলবাহী চালানটি জব্দ করে।
ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী মির্জা রাকিবুল ইসলাম অভিযুক্ত দুই কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করে দাপ্তরিক আদেশ জারি করেন।
এদিকে ঘটনাটি তদন্তে যান্ত্রিক বিভাগের (জোন-সি) নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সিনিয়র পারসোনেল অফিসার (আইআর), সিনিয়র অডিট অফিসার এবং নিরাপত্তা অফিসারকে (প্রশাসন) সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে এই কমিটিকে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।