চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটন ট্রেন প্রবাল এক্সপ্রেসে বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে ফ্যান ও বাতি বন্ধ হয়ে যায়। এতে তীব্র গরমে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পটিয়া এলাকায় ট্রেনটির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।
তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়েক মিনিটের মধ্যেই সংযোগ মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
এর আগে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৫০ মিনিট পর চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ১০ মিনিটে ট্রেনটির ছাড়ার কথা ছিল। তবে এটি বিকেল ৪টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। সন্ধ্যা ৭টায় গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা থাকলেও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ট্রেনটি সাতকানিয়া এলাকাও অতিক্রম করতে পারেনি।
ট্রেনে ছয় মাস বয়সী শিশুসন্তান নিয়ে চকরিয়ার যাত্রী নয়নবলেন, ট্রেনের ফ্যানগুলো এমনিতেই ঠিকমতো ঘোরে না। এর মধ্যে প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট বিদ্যুৎ ছিল না। তীব্র গরমে তাঁর শিশুসন্তান ক্রমাগত কান্নাকাটি করছিল।
আরেক যাত্রী এখলাছুর রহমান বলেন, ট্রেনটি পটিয়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। ট্রেনের ভেতর একদিকে অতিরিক্ত যাত্রীর ভিড়, অন্যদিকে ফ্যান বন্ধ থাকায় এক দুর্বিষহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে ট্রেনটি দোহাজারী পৌঁছানোর পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।
নয়ন অভিযোগ করেন, সারা বছরই ট্রেনটির আসন পূর্ণ থাকে। এর বাইরে আসনবিহীন (স্ট্যান্ডবাই) টিকিট বিক্রি করায় ভেতরে অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হয়। বিপুলসংখ্যক যাত্রী পরিবহন করলেও সেবার মানের উন্নতি হচ্ছে না।
তবে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় দুর্ভোগ পোহানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ের পাহাড়তলী নিয়ন্ত্রণকক্ষের দাবি, ট্রেনের বিদ্যুৎ লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।