চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সন্দেহজনক আমদানি চালান হিসেবে চিহ্নিত করে কায়িক পরীক্ষার জন্য লক করা একটি কনটেইনার জালিয়াতির মাধ্যমে বন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এনবিআর জানায়, কাস্টমসের মূল সিল ভেঙে সেখানে ভুয়া সিল লাগানোর পাশাপাশি বদলি হয়ে যাওয়া একাধিক কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে কনটেইনারটি বের করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। এ ঘটনায় পুরান ঢাকার চকবাজারের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘কাফ করপোরেশন’ এবং তাদের নিয়োজিত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর জালিয়াতির বিষয়টি প্রথম ধরা পড়ার পর দ্রুত কনটেইনারটি কঠোর নিরাপত্তা হেফাজতে নেওয়া হয় এবং চালানটি নিয়ে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। কাস্টমসের সিল ও ইউনিক লক নম্বর যাচাই করে দেখা যায়, নির্ধারিত কায়িক পরীক্ষার আগেই জালিয়াতি করে বিল অব লেডিংয়ের (বি/এল) তথ্য পরিবর্তন করা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই ঘটনাকে আমদানি কার্যক্রমে বিরল একটি জালিয়াতি বলে অভিহিত করেছেন। ঘটনা তদন্তে ইতিমধ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী চীন থেকে আসা এই চালানের সাথে আমদানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কিংবা বন্দর বা কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ কোনো সিন্ডিকেট জড়িত থাকতে পারে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।