মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রিয় চট্টগ্রাম

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এবার হাটহাজারীতে ডিসির অভিযান

চট্টগ্রামজুড়ে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব ও মশার বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। একের পর এক উপজেলায় সরাসরি মাঠে নেমে পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। সীতাকুণ্ড ও কর্ণফুলীর সফল অভি

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এবার হাটহাজারীতে ডিসির অভিযান

চট্টগ্রামজুড়ে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব ও মশার বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। একের পর এক উপজেলায় সরাসরি মাঠে নেমে পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। সীতাকুণ্ড ও কর্ণফুলীর সফল অভিযানের ধারাবাহিকতায় এবার হাটহাজারীতে মশকনিধন কার্যক্রমে স্বশরীরে অংশ নিয়েছেন তিনি।

আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) হাটহাজারী পৌরসভা ও উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মোট ১৫টি চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একযোগে বিশেষ মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সচেতনতামূলক র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসক নিজেই ফগার মেশিন হাতে নিয়ে মশকনিধনের ওষুধ স্প্রে করেন এবং এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত ২৫ জুলাই থেকে ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ স্লোগানে জেলায় ধারাবাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসব্যাপী বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির আওতায় জেলার ১,২০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ২,০০০ মসজিদে অভিযান চালানো হয়। এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ডে ১৬টি ফগার মেশিন নিয়ে এবং ৩ অক্টোবর কর্ণফুলীর ১০টি চিহ্নিত স্থানে বিশেষ প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক।

অভিযানকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু নিয়ে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল, প্রশাসনের নানামুখী তৎপরতায় অক্টোবরে তা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে এবং সীতাকুণ্ডে গত এক সপ্তাহে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ডেঙ্গু ডেডিকেটেড বেড ও পরীক্ষার কিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, "আমরা চাই না ডেঙ্গুতে আর একটি প্রাণও ঝরে যাক। এই রোগ একক কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নির্মূল করা সম্ভব নয়; রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।" মাঠপর্যায়ে প্রতিরোধ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে নির্ধারিত তিন মাসের আগেই চট্টগ্রামে ডেঙ্গু সংক্রমণ শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

হাটহাজারীর কর্মসূচিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০