মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

‘এ দেশ কোনো ধর্মান্ধের নয়, সব ধর্মের মানুষের’

বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ, এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্মিলিত দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও সবাই বাংলাদেশি।

‘এ দেশ কোনো ধর্মান্ধের নয়, সব ধর্মের মানুষের’
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ, এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্মিলিত দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও সবাই বাংলাদেশি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

খন্দকার আবু আশফাক বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরের মধ্যে এবারই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ-উৎসাহের সাথে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছেন। ঢাকা-১ আসনেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আবু আশফাক বলেন, তিনি তাঁদের এই সমর্থনের প্রতিদান দিতে চান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভালো কাজে পাশে থাকা এবং তাঁদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান। পূজামণ্ডপ পাহারা দেওয়াকেও তাঁদের প্রতি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’—এই চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্য আয়োজক, ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন এবং দুর্গোৎসবের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। এ সময় তিনি দলের পক্ষ থেকে মন্দিরে নগদ অর্থের অনুদান দেন।

আবু আশফাক জানান, নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে এ বছর ২০১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত তিন দিন ধরে তিনি বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দলীয় নেতাকর্মীদের পাহারার দায়িত্ব পালনের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবুল কালাম, বিএনপি নেতা আবু শফিক খন্দকার, এরশাদ আল মামুন ও মিজানুর রহমান, যুবদল নেতা রায়হানুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতারা।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০