মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

একটি মাত্র ভুলেই বাতিল হতে পারে এনআইডি আবেদন, ইসির নতুন সিদ্ধান্ত

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা নতুন ভোটার নিবন্ধনের আবেদন করে দীর্ঘদিন বায়োমেট্রিক তথ্য না দিলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঝুলে থাকা আবেদন কমানো এবং সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একটি মাত্র ভুলেই বাতিল হতে পারে এনআইডি আবেদন, ইসির নতুন সিদ্ধান্ত
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা নতুন ভোটার নিবন্ধনের আবেদন করে দীর্ঘদিন বায়োমেট্রিক তথ্য না দিলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঝুলে থাকা আবেদন কমানো এবং সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইসির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি কমিশনের মাসিক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের তথ্য দিতে হবে। আবেদনকারী মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয় বা নির্ধারিত বুথে গিয়ে এসব বায়োমেট্রিক তথ্য না দিলে নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর আবেদন সার্ভার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ এ সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য ইসি সচিবালয়ের সিস্টেম ম্যানেজারকে লিখিত নির্দেশনা দিয়েছেন। কমিশনের আশা, এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা আবেদন কমবে এবং সার্ভার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

এদিকে এনআইডি কার্যক্রমের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয়গুলোতে জমে থাকা পুরোনো নথি ও অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে ২০১২ সাল থেকে সংরক্ষিত স্ক্যান করা ও সার্ভারে আপলোড করা ভোটার নিবন্ধন ফরম-২-এর কাগজের কপি এবং গোডাউনে থাকা অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিষ্পত্তি করা হবে। এ কাজ আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে সব পুরোনো নথি সরিয়ে ফেলা হবে না। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত ভোটার নিবন্ধন ফরম আগের মতোই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যত্নসহকারে রাখতে হবে। শুধু ২০১২ সাল থেকে স্ক্যান করে সার্ভারে সংরক্ষিত ফরমগুলোর কাগজের কপি অপসারণ করা হবে।

নথি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়েও নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। বাতিলের জন্য নির্ধারিত ফরম ও কাগজপত্র খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে না। এসব কাগজ সরাসরি কাগজের মণ্ড তৈরির কাজে ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালকের কাছে প্রয়োজনীয় চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০