মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আইনগত বা নীতিগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আইনগত বা নীতিগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে যতবার শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং মান-মর্যাদা বৃদ্ধি হয়েছে, তা হয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন হতে পারে।’

শিক্ষা খাতে বাজেট তিন গুণ বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস। দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আসা এই সরকার শিক্ষাখাত পুনরুজ্জীবিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।’

সরকারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া প্রায় ১ লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকার হাতে ভাতা তুলে দিতে ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ফান্ড গঠন করা হয়েছে।’

শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ করতে হলে বছরে অতিরিক্ত ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার প্রয়োজন বলেও জানান মীর শাহে আলম। সেইসাথে একটি সুশৃঙ্খল ও বড় পরিসরের জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করে মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার্তা পৌঁছানোর পরামর্শ দেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের নতুন একটি উদ্যোগের কথাও জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান দেয়া হবে, যাতে ছাদ ব্যবহার করে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্যানেল বসানো যায়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ছুটির দিনে ও অতিরিক্ত সময়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে।’

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০