মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

সোমবার (১২ অক্টোবর) জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে ‘বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতি’ শীর্ষক দিনব্যাপী আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা, খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের সম্মিলিত আন্দোলন ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি ধরে রাখতে শিল্পীদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্‌সান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রচলিত কার্যক্রমের বাইরে গিয়ে চিত্রশিল্পীদের নিয়ে আর্ট ক্যাম্প আয়োজন করে জুলাই জাদুঘর একটি ভালো দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। এখানে শিল্পীরা গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ছবি আঁকছেন। দর্শনার্থীরা সেসব শিল্পকর্ম দেখার পাশাপাশি শিল্পীদের কাছ থেকে ছবির ব্যাখ্যাও জানতে পারছেন। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ এসব শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কৃতিচর্চার যে প্রত্যাশা ছিল, এই আর্ট ক্যাম্প তা বাস্তবায়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্‌সান মাহমুদ বলেন, যে প্রাঙ্গণে আর্ট ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে, সেটি একসময় স্বৈরাচারী সরকারের পরিচালনাকেন্দ্র ছিল। পূর্বের গণভবন বর্তমানে জুলাই জাদুঘর হিসেবে পরিচিত। ফ্যাসিবাদের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই স্থানে আর্ট ক্যাম্প আয়োজনের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে শিল্প-সাহিত্যকে কাজে লাগিয়ে নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দেখিয়েছে, নানা চেষ্টা করেও ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয়। গত ১৬ বছরে শিল্প-সাহিত্যের মাধ্যমে মানুষকে অনেক কিছু ভুলিয়ে রাখার যে প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে স্মৃতির লড়াই অব্যাহত রাখতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

দিনব্যাপী এই আর্ট ক্যাম্পে অংশ নেন নাসিম আহমেদ নাদভী, নাইমা হক, সামিয়া আফরিন, জয়তু চাকমা, এ. এছেন, ইমাম হোসেন, নাজিয়া আন্দালীব প্রিমা, কাজী সালাউদ্দীন আহমেদ, খন্দকার নাছির আহাম্মদ, আব্দুল হালিম চঞ্চল, তামান্না লিজা, অমল আকাশ, মোস্তফা জামান, মোস্তাফিজুল হক, ফারজানা আহমেদ উর্মি, সৈয়দ জাহিদ ইকবাল, ফারিয়া খানম, মো. আরমান চৌধুরী, নাজমুন নাহার পিয়া, সুমন হালদার, মোমিন মুক্তার ও জাফরিন গুলশান।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০