সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের হেলথ কার্ড পেতে অনলাইনে নিবন্ধন, প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে হবে। পরিচয় ও তথ্য যাচাই শেষে প্রোফাইলের অবস্থা ‘ভেরিফায়েড’ হলে হাসপাতালের নির্ধারিত কক্ষ থেকে কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।
গত ১১ অক্টোবর জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হেলথ কার্ড পেতে প্রথমে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারে অনুমোদিত প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে। এরপর হেলথ কার্ডের নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণক অনলাইনে আপলোড করতে হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিচয় ও তথ্য যাচাই করে প্রোফাইলের অবস্থা ‘ভেরিফায়েড’ হিসেবে হালনাগাদ করলে যেকোনো কর্মদিবসে নির্ধারিত কক্ষ থেকে হেলথ কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার নিয়ম সম্পর্কেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পর কোনো রোগী পরপর দুবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অনুপস্থিত থাকলে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিলের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা বাতিল না করলে তাঁর ইউজার আইডি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। ফলে ওই আইডি দিয়ে নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যাবে না।
পরীক্ষার প্রতিবেদন দেখানোর জন্য প্রতিবেদন পাওয়ার তারিখ থেকে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট কাউন্টার থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নতুন রোগীদের নিবন্ধন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। এ জন্য সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের ওয়েবসাইটের ‘আমার প্রোফাইল’ অপশন ব্যবহার করতে হবে। ওয়েবসাইটের ঠিকানা http://www.skh.gov.bd।
সরকারি কর্মচারী ও তাঁদের নির্ভরশীল ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর প্রয়োজনীয় প্রমাণক ও মূল কাগজপত্র নিয়ে হাসপাতালের ৪২৪ ও ৪২৫ নম্বর কক্ষে যোগাযোগ করতে হবে। সেখান থেকে নিবন্ধন অনুমোদন করাতে হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তার জন্য হাসপাতালের আইটি তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।