মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রিয় চট্টগ্রাম

‘জেলা প্রশাসন শুধু ফুল নেয় না, ফুল দেয়ও’

সাধারণত সরকারি কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বা বিশিষ্ট ব্যক্তি কোথাও গেলে তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার দৃশ্যই চিরাচরিত। তবে এবার চট্টগ্রাম নগরে দেখা গেল ঠিক এর বিপরীত চিত্র। ফুল নিতে নয়, সাধারণ ব্যবসায়ীদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে নিজে হাতে ফুল ও সম্মাননা স্

‘জেলা প্রশাসন শুধু ফুল নেয় না, ফুল দেয়ও’

সাধারণত সরকারি কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বা বিশিষ্ট ব্যক্তি কোথাও গেলে তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার দৃশ্যই চিরাচরিত। তবে এবার চট্টগ্রাম নগরে দেখা গেল ঠিক এর বিপরীত চিত্র। ফুল নিতে নয়, সাধারণ ব্যবসায়ীদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে নিজে হাতে ফুল ও সম্মাননা স্মারক নিয়ে হাজির হলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকার এম এ আজিজ স্টেডিয়ামসংলগ্ন সিজেকেএস শপিং কমপ্লেক্সে এ ব্যতিক্রমী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। সিজেকেএসের সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা নিজে সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রায় ১২ বছর ধরে জমে থাকা বর্জ্য অপসারণে স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা রাখায় মার্কেটটির দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের হাতে ফুল ও স্মারক তুলে দেন।

‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ কর্মসূচির আওতায় সম্প্রতি নজরে আসে সিজেকেএস শপিং কমপ্লেক্সের দীর্ঘদিনের আবর্জনার স্তূপটি। জেলা প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দোকান মালিক সমিতির সদস্যরা নিজস্ব অর্থায়ন ও উদ্যোগে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ ট্রাক বছরের পুরোনো ময়লা ও নির্মাণবর্জ্য অপসারণ করেন। এর ফলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি, মশার উপদ্রব ও অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কামুক্ত হয় পুরো এলাকা।

ব্যবসায়ীদের চমৎকার নাগরিক দায়িত্ববোধের ভূয়সী প্রশংসা করে জেলা প্রশাসক বলেন, শহর পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক রাখতে কেবল প্রশাসনিক নির্দেশই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সাধারণ মানুষের অংশীদারিত্ব। জেলা প্রশাসন কাজের স্বীকৃতি দিতে ও উৎসাহ জোগাতে ফুল উপহার দেয় উল্লেখ করে তিনি জানান, তাঁর চাকরিজীবনে শপিং কমপ্লেক্সের এই বিপুল বর্জ্য অপসারণ ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার ঘটনাটি অন্যতম স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত ওই খালি জায়গায় খুব শীঘ্রই নান্দনিক বাগান, বিশ্রামাগার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কেউ যেন পুনরায় সেখানে ময়লা ফেলতে না পারে, সে জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০