মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

পেশাগত স্বার্থরক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পেশাগত অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সব বিভাজন ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না গেলে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদ

পেশাগত স্বার্থরক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ছবি: সংগৃহীত

পেশাগত অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সব বিভাজন ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না গেলে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা কঠিন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার ৪৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। ফোরামের সভাপতি মানিক মুনতাসির ও সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সত্য প্রকাশে তাঁদের নির্ভীক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। একই সঙ্গে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায় তুলে ধরার পাশাপাশি অপসাংবাদিকতা, অপতথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতেও মূলধারার গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিজের শিকড় ধরে রাখতে চান তিনি। জেলাটিকে সাম্প্রদায়িকতা ও মাদকমুক্ত রাখার প্রত্যয় জানিয়ে এ লক্ষ্য অর্জনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সজাগ থাকা এবং জেলার সাফল্য ও অর্জন জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করায় ফোরামের সদস্যদের অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। দেশ ও ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে ফোরামের নেতারা সাংবাদিকদের পেশাগত সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তাঁরা সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় এবং গুরুতর অসুস্থ সদস্যদের জরুরি চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা চান।

রাষ্ট্রপতি তাঁদের দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সংগঠনের সমৃদ্ধি ও সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০