মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়তে এআই ও উদ্ভাবনে জোর দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদ্ভাবনকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল, মেটা, এনভিডিয়া ও অ্যাপল বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও শিক্ষা খাতে কাজ

প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়তে এআই ও উদ্ভাবনে জোর দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদ্ভাবনকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল, মেটা, এনভিডিয়া ও অ্যাপল বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও শিক্ষা খাতে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে কৃষি, তৈরি পোশাক (গার্মেন্টস), স্টার্টআপ খাত থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনার মতো সার্বিক জায়গায় এআই ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে বাংলা ভাষাভিত্তিক এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং দেশের উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপ প্রসারে সার্বিক সহযোগিতা করার আগ্রহ দেখিয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশে উন্নত প্রযুক্তির এআই ডেটা সেন্টার স্থাপনসহ প্রযুক্তি অবকাঠামো উন্নয়নে একাধিক বড় প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা ও সমন্বয় চলছে। তবে কোন প্রতিষ্ঠান কোন নির্দিষ্ট খাতে বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে কাজ করবে, তা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত করা হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার যে দূরদর্শী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবায়নে প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে বড় ধরনের যে কোনো প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশ, জলবায়ু, অবকাঠামোগত সক্ষমতা ও দেশের জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। একই সাথে এসব মেগা বিনিয়োগের আগে পুঙ্খানুপুঙ্খ গবেষণা ও প্রাক-যাচাই নিশ্চিত করা হবে।

বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সংকট মোকাবিলায় এলএনজি ও সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে ইন্দোনেশিয়া ও আলজেরিয়ার সাথে সরকারের আলোচনা ও বহুমাত্রিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০