পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের প্রাপ্য প্লট দ্রুত নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সাথে অতীতে প্লট বরাদ্দে সংঘটিত অনিয়ম এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি এ নির্দেশনা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
বৈঠকে হিসাব মহাপরিদর্শক, রাজউক চেয়ারম্যান, সিএজি কার্যালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সার্বিক কার্যক্রম, চলমান আবাসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় নতুন ভূমিনির্ভর প্রকল্পের পরিবর্তে বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে রাজধানীতে অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণ এবং আবাসিক এলাকায় অনুমোদনবহির্ভূত বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের মাধ্যমে গ্রাহক হয়রানি বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে রাজউককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ণের লক্ষ্যে সমন্বিত ইউটিলিটি ব্যবস্থা ও ভূগর্ভস্থ ক্যাবল ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ওয়াশরুম ও নামাজের স্থান নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকার লেক সংরক্ষণ এবং ঢাকা শহরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সুপারিশ করা হয়েছে।
বৈঠকে নিরীক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত নিরীক্ষা সম্পন্ন এবং অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির তাগিদ দেওয়া হয়েছে।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।