মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

রাড্ডায় ভাঙচুরের ঘটনায় ৫ জনের নাম উল্লেখ, গ্রেপ্তারে সময় বেঁধে দিলেন আরমান

# রাড্ডায় ভাঙচুর: জড়িতদের গ্রেপ্তারে আরমানের ৭ দিনের আলটিমেটাম রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচএফপি সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও তাঁদের মদদদাতাদের সাত দিনের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। এ

রাড্ডায় ভাঙচুরের ঘটনায় ৫ জনের নাম উল্লেখ, গ্রেপ্তারে সময় বেঁধে দিলেন আরমান
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচএফপি সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও তাঁদের মদদদাতাদের সাত দিনের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। এ সময়ের মধ্যে তাঁদের গ্রেপ্তার করা না হলে মিরপুর জোন পুলিশের কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব সরিয়ে কেন্দ্রীয় কোনো বাহিনীর হাতে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ আলটিমেটাম দেন সংসদ সদস্য আরমান। তিনি বলেন, রাড্ডার ঘটনা শুধু মিরপুর বা ঢাকা-১৪ আসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিফলন। তাঁর মতে, চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং এসব কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রশ্রয়ের বিষয়টিও এ ঘটনায় উঠে এসেছে।

আরমান বলেন, রাড্ডার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা গেলে সারা দেশে চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পথ তৈরি হবে।

ঘটনাটি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, সাংবাদিকেরা চাঁদাবাজির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করছেন। অথচ মিরপুর জোনের পুলিশ তাঁদের খুঁজে পাচ্ছে না বলে জানাচ্ছে।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ তুলে আরমান বলেন, ওই চক্রের সদস্যরা এখনো সক্রিয় এবং প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এরপরও পুলিশ কেন তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে সংসদ সদস্য বলেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে অভিযুক্ত পাতেল, লেলিন, হানিফ, রাসেল ও শুভ্রকে সাত দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা ধরে রাখা কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরমান আরও বলেন, সাংবাদিকদের প্রতিবেদনে চাঁদাবাজির তথ্য উঠে আসছে এবং এ বিষয়ে জনগণও সাক্ষ্য দিচ্ছে। এরপরও অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা না হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য আলাউদ্দিন সোহেল, জি এম হাফিজুর রহমানসহ অন্যরা।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০