শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী রমনা কালীমন্দির পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং মন্দিরের সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ও অন্য সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন।
বিজিবি মহাপরিচালক জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সদস্যরা ইতোমধ্যে সরেজমিনে পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতাদের সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হয়েছে। সীমান্তের যেসব পূজামণ্ডপ বিজিবির বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) থেকে দূরে অবস্থিত, সেগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিজিবির সদর দপ্তর, রিজিয়ন, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের আশপাশের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা তদারকি ও দ্রুত সমন্বয়ের জন্য বিজিবি সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।
জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান বিজিবি মহাপরিচালক।
তিনি বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে তথ্য সংগ্রহ, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও নিরাপত্তা জোরদারের কাজ চলছে। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় বিজিবি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড ট্রেনিং), ঢাকা সেক্টর কমান্ডারসহ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।