মূল লেখায় যান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ · ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রিয় চট্টগ্রাম

শিশু নিপীড়ন অগ্রহণযোগ্য, আইন হাতে নেওয়াও সমর্থন করে না হেফাজত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিপীড়ন ও অনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। তবে এ ধরনের ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াকেও সমর্থন করে না সংগঠনটি। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত কর

শিশু নিপীড়ন অগ্রহণযোগ্য, আইন হাতে নেওয়াও সমর্থন করে না হেফাজত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিপীড়ন ও অনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। তবে এ ধরনের ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াকেও সমর্থন করে না সংগঠনটি। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটির আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তাঁরা এ অবস্থান জানান। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

গাজীপুরের টঙ্গীতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত এক শিক্ষকের সঙ্গে এক ছাত্রীর বাবার বিরোধ এবং তাঁকে চড় মারার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হেফাজতের এই বিবৃতি এল। তবে বিবৃতিতে টঙ্গীর ঘটনাটির সরাসরি উল্লেখ নেই।

বিবৃতিতে হেফাজতের আমির ও মহাসচিব বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়। যেকোনো ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

শিশুদের যৌন নির্যাতনকে দীর্ঘদিনের সামাজিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, এটি কোনো একটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্কুল, মাদ্রাসা ও অন্যান্য পরিসরেও এ ধরনের সমস্যা কমবেশি রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের ছয়টি কওমি মাদ্রাসা বোর্ড প্রতিটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি গঠন বা সচল করার নির্দেশ দিয়েছে। শিক্ষার্থী নিপীড়ন কিংবা অনৈতিক আচরণের অভিযোগ সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী তদারকি সেল ও অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হেফাজতের নেতারা বলেন, নৈতিক স্খলনের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত উভয় ধরনের শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো শিথিলতা বা আপসের সুযোগ থাকা উচিত নয়। শিশুদের নিরাপদ বেড়ে ওঠা ও সুশিক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্বে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০