সম্মিলিত সচেতনতা এবং কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমেই ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তার রোধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নগরের পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে চসিক মেয়র এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করতে কেবল সিটি করপোরেশনের একার কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। মশার বংশবৃদ্ধি রোধে প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের আঙিনায় জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।” এ সময় তিনি ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।
নগরীর মশক নিধন পরিস্থিতি তুলে ধরে মেয়র বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম নগরীর চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও হটস্পটগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফগিং, লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ ও নালা-নর্দমা পরিষ্কারের জোরদার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে মশক নিধন কার্যক্রমের অগ্রগতি তদারকি ও কার্যকর তদারকির মাধ্যমে মশার সম্ভাব্য প্রজনন ক্ষেত্রগুলো বিনাশ করা হচ্ছে।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত আরও জোর দিয়ে বলেন, “‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’—এই বার্তাটিকে কেবল স্লোগান ও প্রচারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। ব্যক্তিগত সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাই আমাদের ডেঙ্গুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।”
স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা দিয়ে মেয়র পরামর্শ দেন যে, এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলায়ও কামড়ায়, তাই শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে। দিনে-রাতে ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের পাশাপাশি জ্বর বা ডেঙ্গুর অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য তিনি নগরবাসীকে অনুরোধ জানান।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।