মূল লেখায় যান
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ · ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয়

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে স্কুল-কলেজে প্রচার, স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে চালকদের

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় ঢাকার অন্তত ১০টি এবং প্রতিটি জেলার পাঁচটি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি পেশাদ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে স্কুল-কলেজে প্রচার, স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে চালকদের
ছবি: সংগৃহীত

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় ঢাকার অন্তত ১০টি এবং প্রতিটি জেলার পাঁচটি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি পেশাদার গাড়িচালকদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সরকারি চালকদের বিনা মূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং দক্ষ চালকদের পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়ে অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচির জন্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে হবে। ঢাকার অন্তত ১০টি এবং প্রতিটি জেলার কমপক্ষে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্তত একটি বালক স্কুল ও কলেজ, একটি বালিকা স্কুল ও কলেজ এবং একটি মাদ্রাসাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এ কর্মসূচির লক্ষ্য।

শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি, পেশাদার গাড়িচালকদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পেশাদার মোটরযান চালকদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এ ছাড়া সচিবালয়ে কর্মরত সরকারি গাড়িচালকদের বিনা মূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চালকদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বে উৎসাহ দিতে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে দক্ষ চালকদের পুরস্কৃত করা হবে। একই সাথে মানসম্মত যাত্রীসেবা দেওয়া পরিবহন প্রতিষ্ঠানগুলোকেও পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে সড়ক ও মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইন, সংকেত ও সড়কের দাগ বা রোড মার্কিং দ্রুত সংস্কার করে সচল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক তথ্য প্রচার এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণদের এ কার্যক্রমে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০