যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তিনি এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ড. খালিদ হোসেন বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্যক্তিত্ব ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। তার মতো একজন ব্যক্তিকে হেনস্তা করা, তাকে লক্ষ্য করে অপপ্রচার চালানো এবং শারীরিকভাবে হুমকি দেওয়া আন্তর্জাতিক রীতিনীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী।
সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কোনো ব্যক্তি বা সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করাও গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত আক্রমণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপপ্রচার কিংবা শারীরিক হেনস্তার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকারের চর্চা হতে হবে দায়িত্বশীলতা, শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।
তিনি বলেন, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সংকটকালে রাষ্ট্র পরিচালনা ও সংস্কারের দায়িত্ব পালন করেছে। তার কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন হতে পারে যুক্তি, তথ্য ও গঠনমূলক সমালোচনার ভিত্তিতে। তাকে ব্যক্তিগতভাবে হেনস্তা করা বা তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশের পরিচায়ক নয়।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেও এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। রাজনৈতিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহনশীলতা, সংলাপ ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা জরুরি।
এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
খালিদ হোসেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও সবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।