মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ · ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আইন আদালত

বরই খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গায় বরই খাওয়ানোর কথা বলে আট বছরের শিশু সোহাগকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যার দায়ে মো. ইমন নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

বরই খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গায় বরই খাওয়ানোর কথা বলে আট বছরের শিশু সোহাগকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যার দায়ে মো. ইমন নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১-এর অতিরিক্ত দায়রা জজ নিষ্কৃতি হাগিদক এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইমন হোসেন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ পশ্চিমপাড়া রব চৌকিদার মাঝির বাড়ির আব্দুল করিমের ছেলে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বলেন, মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. ইমনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাই তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ মার্চ দুপুরে পতেঙ্গার খালপাড় এলাকায় খেলছিল আট বছর বয়সী শিশু সোহাগ। এ সময় রিকশাচালক ইমন বরই খাওয়ানোর কথা বলে তাকে চেয়ারম্যান গলির একটি পরিত্যক্ত ভাড়া ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ৫০ টাকা দিয়ে অনৈতিক কাজে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেন। এতে সোহাগ বাধা দিয়ে চিৎকার ও পালানোর চেষ্টা করলে ইট দিয়ে তার মাথা ও কপালে উপর্যুপরি আঘাত করেন ইমন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার দিন পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই দিন সন্ধ্যায় পরিত্যক্ত ঘর থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় মরদেহের পাশে রক্তমাখা ইট পাওয়া যায়। পরে এক শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ইমনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় সোহাগের বাবা মো. ফারুক হোসেন ভূঁইয়া পতেঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১০ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কাজ শুরু হয়।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০