মূল লেখায় যান
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ · ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রিয় চট্টগ্রাম

ডিসি জাহিদের অভিনব উদ্যোগ: চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার জমা বর্জ্য যাচ্ছে পুনর্ব্যবহারে

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব নজির গড়ল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার বিশেষ উদ্যোগে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের (রিসাইক্লিং) জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর কা

ডিসি জাহিদের অভিনব উদ্যোগ: চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার জমা বর্জ্য যাচ্ছে পুনর্ব্যবহারে

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব নজির গড়ল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার বিশেষ উদ্যোগে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের (রিসাইক্লিং) জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) চিড়িয়াখানা ও সংলগ্ন পাহাড়ি ছড়ায় ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা এবং মশকনিধন কর্মসূচির সাথে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ও ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজের সহযোগিতায় এই জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে। এই উদ্যোগের আওতায় ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত যেকোনো শিক্ষার্থী ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনামূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে, যেখানে সাধারণ প্রবেশ টিকিট মূল্য ৭০ টাকা। পরবর্তীতে সংগৃহীত এসব প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের সাথে একটি চুক্তি সই করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ড. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘একক কোনো সংস্থার পক্ষে পুরো নগর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন ও নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করতে হবে।’ ফয়’স লেক সংলগ্ন পাহাড়ি ছড়া ও জলাধার দূষণমুক্ত রাখতে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও ডাবের খোসা না ফেলার জন্য নাগরিকদের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে জাপান থেকে চসিকে ২০টি কমপ্যাক্টর ডাম্প ট্রাক যুক্ত করার কথাও জানান প্রশাসক।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘শিশু-কিশোরদের স্ক্রিন বা মুঠোফোনের মোহ ছেড়ে প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের কাছে ফিরিয়ে আনতে এবং তাদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তুলতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে শিগগিরই চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় নতুন আকর্ষণ হিসেবে জেব্রা ও কুমির অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকতসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে অতিথিবৃন্দ চিড়িয়াখানা ও সংলগ্ন পাহাড়ি ছড়ার পরিচ্ছন্নতা কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০