মূল লেখায় যান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ · ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সারাদেশ

গাজীপুরে কারখানার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর এলাকায় একটি কারখানার গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট কাজ করছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা গোডাউনের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্র শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়ায় কারখানার আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে...

গাজীপুরে কারখানার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর এলাকায় একটি কারখানার গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট কাজ করছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা গোডাউনের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্র শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়ায় কারখানার আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার কারখানার গোডাউনে হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠে। গোডাউনে মজুত থাকা বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ ও কাঁচামালের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে কাশিমপুর ফায়ার স্টেশনের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আশপাশের ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের মোট ৮টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করছে। আগুনের বিস্তার ঠেকাতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার ফাইটাররা সমন্বিতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, আগুন যাতে গোডাউন থেকে কারখানার মূল উৎপাদনকেন্দ্র কিংবা আশপাশের অন্যান্য ভবনে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগুনের তীব্রতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে উদ্ধার ও নির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে আগুনের কারণে আশপাশের স্থাপনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। গোডাউনে মজুত থাকা বিপুল পরিমাণ পণ্য ও মূল্যবান কাঁচামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিটের কার্যক্রম চলছিল। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ এবং ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জানতে ফায়ার সার্ভিসের পরবর্তী প্রতিবেদন ও তদন্তের অপেক্ষা করতে হবে।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০