মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ · ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রিয় চট্টগ্রাম

পর্যটনশিল্পে অবদান; দক্ষিণ এশিয়ায় ৩ পুরস্কার জিতলো সায়মান হোটেল পরিবার

দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটনশিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনটি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান সায়মান হোটেল পরিবার। টানা অষ্টম বছরের মতো দক্ষিণ এশীয় পর্যটন পুরস্কারে সম্মাননা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্য দিয়ে ছয় দশকের ঐতিহ্য উদযাপ

পর্যটনশিল্পে অবদান; দক্ষিণ এশিয়ায় ৩ পুরস্কার জিতলো সায়মান হোটেল পরিবার

দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটনশিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনটি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান সায়মান হোটেল পরিবার। টানা অষ্টম বছরের মতো দক্ষিণ এশীয় পর্যটন পুরস্কারে সম্মাননা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্য দিয়ে ছয় দশকের ঐতিহ্য উদযাপন করেছে সায়মান পরিবার।

সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ৮ অক্টোবর মালদ্বীপের রাজধানী মালে আয়োজিত দক্ষিণ এশীয় পর্যটন পুরস্কার-২০২৬-এর দশম আসরে সায়মানের পক্ষে পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ক্লাস্টার মহাব্যবস্থাপক পূবূদূ ফার্নান্দো।

এবার সায়মান পরিবার তিনটি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। এগুলো হলো—বাংলাদেশের শীর্ষ রিসোর্ট ও হোটেল ব্র্যান্ড, সায়মান বিচ রিসোর্টের বাংলাদেশের শীর্ষ সমুদ্রসৈকত হোটেল এবং সায়মান হেরিটেজের বাংলাদেশের শীর্ষ ঐতিহ্যবাহী হোটেল ও রিসোর্ট।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, টানা আট বছর এই স্বীকৃতি অর্জন বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে সায়মানের দীর্ঘদিনের উপস্থিতি, সেবার ধারাবাহিকতা এবং অতিথিদের উন্নত আতিথেয়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

কক্সবাজারে অবস্থিত সায়মান বিচ রিসোর্ট সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক অবকাশযাপনের সুযোগ দিচ্ছে। অন্যদিকে, সায়মান হেরিটেজ ঐতিহাসিক সায়মান নামের ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার ধরে রেখেছে। প্রতিষ্ঠান দুটি ছয় দশকের বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যের সাথে আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয় করে আসছে।

সায়মান বিচ রিসোর্ট ও সায়মান হেরিটেজের ক্লাস্টার মহাব্যবস্থাপক পূবূদূ ফার্নান্দো বলেন, এই অর্জন প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। অভিন্ন লক্ষ্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দায়িত্ব পালনে সহকর্মীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার কারণেই এই স্বীকৃতি এসেছে। দলগত কাজই তাঁদের সাফল্যের মূল ভিত্তি।

তিনি আরও বলেন, এই পুরস্কার প্রতিষ্ঠানটিকে আরও বড় লক্ষ্য নির্ধারণ, আন্তরিকতার সাথে সেবা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সায়মানের ঐতিহ্য সংরক্ষণে উৎসাহিত করবে। একই সাথে বাংলাদেশের আতিথেয়তার উষ্ণতা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কক্সবাজার ও সায়মানের পরিচিতি বাড়াতে তাঁরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করা সায়মান বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের পরিচিত একটি নাম। সায়মান বিচ রিসোর্ট ও সায়মান হেরিটেজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক অবকাশযাপনের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র আতিথেয়তার পরিচয় তুলে ধরছে।

মন্তব্য

এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত লিখুন

০/২০০০