আনোয়ারায় জায়গা বিরোধে মিমাংসার জন্য সালিশী বৈঠকে ডেকে ছোট ভাইকে জখম করার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই ও ভাইয়ের ছেলেদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বারশত গুন্দীপ ইজ্জত আলী মাঝির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জখমী মোঃ নাছির (৫৫)—র ছেলে মোঃ সোহেল বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন— মোঃ সাইফুদ্দীন, শেখ মোহাম্মদ, মোঃ নেজাম উদ্দিন সুমন, আরিফ উদ্দিন সুজন, মোঃ শিহাব ও সাজ্জাদ হোসেন টিটু।
স্থানীয় ও এজাহার সুত্রে জানায়, অভিযুক্ত শেখ মোহাম্মদ ও সন্তানেরা ছোট ভাই মোঃ নাছিরের পৈত্রিক স্বত্বের একাংশ জরব-দখল করে ইতিপূর্বে বিল্ডিং নির্মাণ করে ফেলে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর আপত্তির মুখে অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনার দিন স্থানীয়দের নিয়ে চলাচলের রাস্তা সহ অন্যান্য বিষয়ে বৈঠকের আয়োজন হয়। বৈঠকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কথা বলা হলে, ওই বৈঠক পন্ড করে ভুক্তভোগী নাছিরের উপর ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই শেখ মোহাম্মদের ইন্ধনে তার ছেলে সাইফুদ্দীন লোহার খন্তা দিয়ে আঘাত করে ভুক্তভোগীকে। এছাড়া অন্যান্য অভিযুক্তরাও আঘাত করে। এদিকে বড় ভাই ভুক্তভোগীর গলা টিপে হত্যা চেষ্টা করে। পরে স্বজনরা এগিয়ে এসে ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর ছেলে মোঃ সোহেল জানান, দাদার সম্পত্তি বড় চাচা জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। নিজেদের ক্রয়কৃত জায়গায় পানি চলাচলের নালা ও চলাচলের সড়ক রয়েছে। জোরপূর্বক চাচা ও চাচাতো ভাই পৈত্রিক স্বত্বের একাংশে ঘর নির্মাণ করে ফেলে। পাশাপাশি চলাচলের সড়ক বন্ধ করার পায়তারা করে আসছে। এসব বিষয়ে সামাজিক বৈঠক ডেকে পরিকল্পিতভাবে তার বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে নিজের ভাই ও ভাইয়ের ছেলেরা। এছাড়া নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে অভিযুক্তরা। তিনি আরও জানান, বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার কামনা করেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শেখ মোহাম্মদ থেকে জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী জানান, স্থানীয় সালিশী বৈঠকে হামলার একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









মন্তব্য
এখনো কেউ মন্তব্য করেননি। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।